রুপান্তর বাংলা জেলা সংবাদদাতা
রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলী উপজেলার শফিপুর গ্রামে বসবাসকারী শিক্ষক আব্দুল আজিজ রাঙ্গামাটির এডিএম কোর্টে চেক ও টাকা উদ্ধারের লক্ষ্যে একটি মামলা করেন মামলা নং ০৪/২৫ মামলা করার পর, এডিএম কোর্টের দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট মহোদয় মামলা তদন্ত করার জন্য দায়িত্ব দেন চন্দ্রঘোনা থানা পুলিশকে চন্দ্রঘোনা থানার ভার প্রাপ্ত কর্মকর্তা উক্ত মামলাটি তদন্ত করার জন্য এস আই শাহাআলম কে দেন, দারগা শাহ আলম মামলাটি বাদীর সম্মুখে ও গোপনীয়ভাবে তদন্ত করেন এবং সাক্ষী গনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন মামলাতে বাদী যেসব সাক্ষীর নাম উল্লেখ করেছেন তারা হলেন ১/ শাহ্ আজিজ ২/ মোতালে মেম্বার ৩/ জলিল মড়ল ৪/আব্দুর রাজ্জাক ৫/ রেজাউল মাষ্টার ৬/ রিয়াজ উদ্দিন রানা। এস আই শাহাআলম সকল সাক্ষীর স্বাক্ষ গ্রহণ করার পরেও আদালতে রিপোর্ট পেশ করেন বাদী কোন সাক্ষী উপস্থিত করতে পারেনি।
এস আই শাহাআলম মামলার আর্জিতে উল্লেখিত আসামি দয় ১ / সাজ্জাদ মাহম্মদ ২/ সোলায়মান মেম্বার ৩/ এমদাদুহক মিলন মেম্বার এর নিকট থেকে মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে মিথ্যা ভুয়া রিপোর্ট আদালতে পেশ করেন- আদালত থানা পুলিশের রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে আজ ৭/০৭/২০২৫ তারিখ মামলাটি খারিজ করে দেন। ন্যায় বিচারের স্বার্থে আদালতে বাদী উক্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে না রাজি পিটিশন দিয়ে- অন্য কোন সংস্থাকে তদন্ত করার আবেদন করলেও এডিএম কোর্টের মাননীয় ম্যাজিস্ট্রেট মহোদয় তা গ্রহণ না করে মামলাটি খারিজ করে দেন, সুশীল সমাজ মনে করেন ন্যায় বিচারের স্বার্থে বাদীর আর্জি গ্রহণ না করে অন্য কোন সংস্থাকে তদন্ত করতে না দিয়ে চন্দ্রঘোনা থানার এসআই শাহ আলমের প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করে সরাসরি মামলাটি খারিজ করে দেওয়াই মামলার বাদী শিক্ষক শাহ্ আজিজ ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হলেন।
রপান্তর বাংলা অনিয়মের বিরুদ্ধে, সত্যের পক্ষে
