বাগেরহাট জুয়েলারি দোকান থেকে ১‘শ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি

বাগেরহাটে জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (০১
ফেব্রæয়ারি)গভীর রাতে শহরের রেলরোডস্থ ড্রিমল্যান্ড সুপার মার্কেটের রুপালী
জুয়েলার্স নামের একটি দোকানে এ চুরির ঘটনা ঘটে। এ সময় দরজা ভেঙ্গে
ভিতরে ঢোকে দূর্বৃত্তরা সিন্দুক খুলে দূর্বৃত্তরা প্রায় ১‘শ ভরি স্বর্ণ নিয়ে
যায়। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা বলে দাবি করেছেন দোকান মালিকের

ছেলে শোভন দাস। এদিকে চুরির খবর শুনে মঙ্গলবার (০২ ফেব্রæয়ারি)সকাল সাড়ে
১০টার দিকে বাগেরহাট পৌরসভার মেয়র খান হাবিবুর রহমান, বাগেরহাটের
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাফিন মাহমুদ, পৌর কাউন্সিলর আব্দুল বাকি তালুকদার,
বাগেরহাট জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম,
বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) কেএম আজিজুল ইসলাম ঘটনাস্থল
পরিদর্শণ করেছেন।
দোকান মালিক ভোলানাথ দাস বলেন, রাত সাড়ে নয়টার দিকে প্রতিদিনের মত
দোকান বন্ধ করে বাড়িতে যাই। সকালে এসে দেখি দোকানের দরজা ভাঙ্গা। ভিতরে
প্রবেশ করে দেখি সিন্দুক ও ডিসপেলেতে থাকা স্বর্ণ ও স্বর্ণালঙ্কার নেই। আমার
তো সব শেষ হয়ে গেল। আমি ব্যাংকের লোন পরিশোধ করব কিভাবে এই বলে বিলাপ
করেন ভোলানাথ দাস।
শোভন দাস বলেন, দূর্বৃত্তরা ভিতরে প্রবেশ করে প্রথমে সিসি ক্যামেরার ক্যাবল
কেটেছে। দুটি সিসি ক্যামেরা ভেঙ্গেও ফেলেছে তারা। চাবি দিয়ে সিন্দুক খুলে
স্বর্ণালঙ্কার ও স্বর্ণ নিয়েছে। কিন্তু এই সিন্দুকের চাবি আমার কাছে ছাড়া আর
কারও কাছে ছিল না। তারা কোথায় চাবি পেল এই চিন্তায় হতবিহব্বল সবাই।
রুপালী জুয়েলার্সে ভোলানাথ দাস ও শোভন দাসের পাশাপাশি আরও চারজন কারিকর
অলঙ্কার তৈরির কাজ করতেন।
বাগেরহাটের পুলিশ সুপার পঙ্কজ চন্দ্র রায় বলেন, চুরির বিষয়টি আমরা খুবই
গুরুত্বের সাথে দেখছি। ইতোমধ্যে আমাদের কয়েকটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন
করেছেন। সংশ্লিষ্ট সবার সাথে কথা বলে, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষনসহ
আনুসঙ্গিক তদন্ত পূর্বক আমরা চোরদের শনাক্ত করার কথা বলেন তিনি।