আন্তর্জাতিক ইন্ধনে পাহাড়ে নতুন অস্থিতিশীলতার ছক? ইউপিডিএফের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধি-পার্বত্য চট্টগ্রাম , রূপান্তর বাংলা

পার্বত্য চট্টগ্রামে আবারও অস্থিতিশীলতা তৈরির নীলনকশা কষছে প্রসীত বিকাশ খীসার নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট-ইউপিডিএফ। নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, আন্তর্জাতিক সংস্থার মদে ও মারমা শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করে ৩ পার্বত্য জেলায় নতুন করে বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা চলছে।

যা অভিযোগে উঠে আসছে:

১-মারমা স্টুডেন্টস কাউন্সিল ব্যবহার: বিএমএসি’র একটি অংশকে সামনে রেখে বিভিন্ন ইস্যুতে আন্দোলন ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে যুব সমাজকে উসকানোর চেষ্টা।
২-সীমান্তের ওপারে সশস্ত্র প্রশিক্ষণ:
সূত্রের দাবি, খাগড়াছড়ি-গুইমার অন্তত অর্ধশত মারমা যুবককে মিয়ানমারে নিয়ে গিয়ে সশস্ত্র প্রশিক্ষণ দিয়েছে ইউপিডিএফ ও মিয়ানমার সীমান্তবর্তী বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলো।
৩-২০২৪-২০২৫ এর ঘটনার পুনরাবৃত্তি- ২০২৪ সালের খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা সহিংসতা ও ২০২৫ সালের গুইমারা-রামসু বাজারের ঘটনার পর এবারও সেপ্টেম্বর-অক্টোবরকে টার্গেট করে নতুন প্লটের আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।
৪- আরাকান আর্মি সংযোগ:
খাগড়াছড়িতে মগ লিবারেশন আর্মির নামে একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা ও স্থানীয় কিছু নেতার সাথে তাদের যোগসাজশের অভিযোগ।

বিশ্লেষকদের মত:
পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে কাজ করা সাংবাদিক আব্দুল কাদের বলেন, “আঞ্চলিক সশস্ত্র গ্রুপগুলো এখন মূলধার রাজনীতি ও সামাজিক সংগঠনের আড়ালে সংগঠিত হচ্ছে। সামনে কঠিন চীবর দান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটিকে কাজে লাগিয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা হতে পারে।”

এ বিষয়ে খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার মোরতোজা আলী খাঁন বলেন, তিনি নতুন যোগদান করেছেন। সীমান্ত পেরিয়ে প্রশিক্ষণের বিষয়টি তার জানা নেই।

সম্পাদকীয় নোট-রূপান্তর বাংলা পাহাড়ে শান্তি ও সম্প্রীতি চায়। কোনো অপতৎপরতা প্রমাণ সাপেক্ষ। প্রশাসনের সুষ্ঠু তদন্ত কামনা করছি।