মুক্তাগাছায় দুই যুবক দ্বারা পাগলী ধর্ষণের শিকার

ময়মনসিংহ থেকে সিরাজুল হক সরকার–ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার ৬ নং মানকোন ইউনিয়ের ঘাটুরী বাগানবাড়ী এলাকায় এক পাগলী (মানসিক প্রতিবন্ধি) দুই যুবকের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। এলাকাবাসী ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেছে।
জানা যায়, গত রবিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে অজ্ঞাতনামা এক পাগলী (মানসিক প্রতিবন্ধি)কে শিবপুর গ্রামের কলিন উদ্দিনের পুত্র ভ্যানচালক রফিক ও করমুল্লাপুর গ্রামের ইয়াজ উদ্দিন মুন্সির পুত্র আব্দুল জলিল মানকোন বোর্ডঘর মোর এলাকায় থেকে ভ্যানরিকসায় করে উঠিয়ে ঘাটুরী বাগানবাড়ী এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে তারা দুইজনে মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। তখন ওই পাগলীর আত্মচিৎকারে ওই গ্রামে হুরমুজ আলীর পুত্র আব্দুল খালেক সেখানে গেলে ঘটনা দেখে ফেলে। পরে সে বিষয়টি বোর্ডঘর মোড়ে এসে লোকজনকে জানালে সেখান থেকে থানা পুলিশকে ফোন দেওয়া হয়। খবর পেয়ে মুক্তাগাছা থানার এসআই সেলিম সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে যান। পরে ধর্ষকদের বাড়ীতে গিয়ে তাদেরকে না পেয়ে আসামীদের থানায় দেখা করার কথা বলে আসেন।
আব্দুল খালেক বলেন, নারীর চিৎকার শুনে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের অপকর্ম দেখে ফেলেন। পরে তিনি স্থানীয়দের জানান। পরে সেখানে লোকজন গেলে পাগলি কান্নাকাটি করে সকলকে ঘটনার কথা জানান। এবং ভিডিও দেখে পাগলি ধর্ষকদের শনাক্ত করে। পুলিশ রাতেই সেখানে যান এবং ধর্ষকদের বাড়ীতে যান। তাদেরকে না পেয়ে ফিরে যান।
মানকোন ইউনিয়ন আনসার কমান্ডার মোবারক হোসেন বলেন, সেই রাতেই আমরা ঘটনার কথা শুনেছি। পুলিশ এসে আসামীদের না পেয়ে আসামীদেরকে থানায় দেখা করতে বলে যান। তিনি বলেন, ভিকটিমকে হেফাজত বা তার কোন খোঁজ না নিয়ে আসামীদেরকে থানায় দেখা করতে বলায় পুলিশের কর্ম নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
মানকোন ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম তারা জানান, তিনি ঘটনার কথা লোক মারফত শুনেছেন। তিনি ঘটনার চূড়ান্ত বিচার দাবী করেন।
মুক্তাগাছা থানার ওসি কামরুল ইসলাম জানান, তিনি খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছেন। এই মুহুর্তে (সোমবার সন্ধ্যা) এলাকায় রয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছেন।