দুর্নীতির মহানায়ক ফজলু আমিনের টাকার নিকট স্থানীয় প্রশাসন নত –ইএলইএফপিএস- চেয়ারম্যান

রুপান্তর বাংলা নিজস্ব সংবাদদাতা —- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত বেসরকারী মানবঅধিকার সংস্থা ইএলইএফপিএস-
(রেজিঃ নং এস-১১৬৬০) চেয়ারম্যান জনাব মোঃ রিয়াজ উদ্দিন রানা বলেন, রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলী উপজেলার শফিপুর গ্রামের স্বঘোষিত আমিন ফজলুল হক পিতা মৃত বাবর আলী স্থানীয় প্রশাসন বিশেষ করে পুলিশ ও ফরস্টার কে টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করে ধর্মকে টাকা বানানোর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে পাহাড় কেটে পরিবেশ ধ্বংস করে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করে গড়ে তুলেছেন মার্কেট, যার নাম দিয়েছেন আমিন মার্কেট, বাঙ্গালহালিয়া থেকে সফিপুর যেতে আবাসিক এলাকার রাস্তার পাশে দিনে দুপুরে পরিবেশ ধ্বংসের তোয়াক্কা না করে পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি করে হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা, এবং উক্ত জায়গায় নিম্মান করেছেন মসজিদ যদিও উক্ত মসজিদের প্রায় ২০০ গজ সামনে দীর্ঘ বছর যাবত একটি মসজিদ অবস্থিত, লোক মুখে শোনা যায় উক্ত মসজিদের সভাপতি হতে চেয়েছিল ভূমিদস্য কথিত আমিন ফজলু মসজিদের সভাপতি হতে না পেরে পুরাতন মসজিদ কমিটির লোকদের মুখে চুনকালি দেওয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে অবৈধ পন্থায় গড়ে তুলেছেন একটি নতুন মসজিদ, । উক্ত মসজিদ গড়ে তোলার কারণে সাধারণ জনগণ পাহাড় কেটে পরিবেশ ধ্বংসের কথা ভুলেই গেছেন, আর তিনি হয়ে গেছেন দাদা হাতেম তাই। ইতিপূর্বে রূপান্তর বাংলা পত্রিকায় একের পর এক দুর্নীতির মাধ্যমে ভূমি জবর দখল করে অবৈধ সম্পদ ও টাকার পাহাড় গড়ারতথ্য প্রকাশ হতে চলছে, উক্ত অনুসন্ধানী নিউজ প্রকাশের কারণে সিন্ডিকেট চক্র কিছুটা নীরবতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে, কবুলিয়াত প্রাপ্ত অনেক লোকদেরকে হুমকি দিচ্ছে কেন সাংবাদিকদের নিকট তার কুকৃতি দুর্নীতির তথ্য প্রকাশ করছে,আবার অনেকের নিকট ধন্য দিচ্ছেন কোথাও কিছু না বলার জন্য । এর জায়গা তার নিকট তার জায়গা ওর নিকট এক একর, পাঁচ একর, পঞ্চাশ একর একশ একর, দুইশত একর খাস জায়গা ছলে বলে কৌশলে বিভিন্ন লোকের নিকট বিক্রি করে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছে, ৩২০ নং কাকড়াছড়ি মৌজার গরীব দুঃখী মানুষকে ভূমিহীন করে মৌজায় বসবাসকারী সংশ্লিষ্ট সিন্ডিকেটের সহযোগিতায় কোটি কোটি টাকা অবৈধ পথে উপার্জন কারীদের মধ্যে কয়েকজন,, তাদের সিন্ডিকেট নেতা স্বঘোষিত ফজলুলহক আমিনের স্থান হইতে পিছুটান দিতে দেখা গেলেও তাদের গোপনীয় কৌশল রাতের আধারে অব্যাহত রয়েছে, ভূমি খেকোদের কবলে কবলিত সাধারণ মানুষ এখন আতঙ্কে আছে সিন্ডিকেট চক্রের হুমকির মুখে গরিব দুঃখী অসহায় মানুষ দিনাপাত করছে। ভুক্তভোগী নিরহ মানুষগুলো বলেন তারা কি তাদের হারানো সম্পদ ফিরে পাবেন নাকি যেটুকু সম্পদ নিয়ে তারা বর্তমান অবস্থান করছেন সেই সম্পদ টুকুও কি সিন্ডিকেটের আওতাভুক্ত হয়ে যাবে। সাধারণ জনগনের প্রশ্ন একজন লোক তার সিন্ডিকেট নিয়ে এভাবে রাতের আঁধারে প্রশাসনের নাকের ডগায় বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিল প্রশাসন নীরব কেন ? কথিত ফজলু আমিনের এহেনো দুর্নীতির প্রত্যেক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করছেন তার ছেলে রফিকুল ইসলাম,। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন বেশ কয়েকটি নিউজ তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত হয়েছে প্রশাসন কেন সেসব বিষয়ে যাচাই-বাছাই করে ভূমি দৃশ্য সিন্ডিকেট কে আইনের আওতায় আনছেননা,? তাহলে আমরা কি ধরে নিতে পারি প্রশাসন তার টাকায় বিক্রি হয়ে গেছে তা না হলে তার খুটির জোর কোথায়। বিএনপি’র অনুসারী অর্থদাতা স্বঘোষিত আমিন ফজলুলহক ছলচাতুরির মাধ্যমে ছেলের জন্য হাতিয়ে নিয়েছেন সরকারি চাকরি, ১৯৮৩ সালে স্যাটেলার রিফুজি হিসেবে বান্দরবান জেলার রাজবিলায় পাঁচ একর জায়গার কবুত প্রাপ্ত হন
বান্দরবন জেলার কার্ডদারী হয়ে রাঙ্গামাটি জেলায় সমস্ত সুযোগ সুবিধা ভোগ করেন, (১)