মুক্তাগাছায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হত্যার চেষ্টা, আহত ৩

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি: মুক্তাগাছায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মারধরের ঘটনায় ৩ জন গুরুতর আহত হয়েছে। আহতদের মুক্তাগাছা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহতদের একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে কর্তব্যরত চিকিৎসক ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। অহতরা হলেন, ফজলুল হক (৫৫), রেজিয়া খাতুন (৫০), সিরাজুল ইসলাম (২৫)।
জানাযায়, মুক্তাগাছা উপজেলার বাহেঙ্গা নয়াপাড়া গ্রামে মৃত আহেদ আলীর পুত্র ফজলুল হকের সাথে তার দুই ভাই নজরুল ইসলাম ও শহিদুল্লাহ উরফে সরাজের সাথে পৈত্রিক ভিটে বাড়ির জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল দীর্ঘদিন যাবত। নজরুল ও শহিদুল্লাহ ভূয়া দলিল দেখিয়ে ফজলুল হকের জমি দখলের পায়তারা করে আসছিল। এ নিয়ে এলাকাতে কয়েকটি সালিশ হলে কোন সুরাহা হয়নি। নজরুল ও শহিদুল্লাহ তাদের পক্ষে জমির কোন বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। তারপরও অবৈধ ভাবে ফজলুল হকের দখলের পায়তারা করে আসছে। গত ১ মে দুপুুরে পূর্বপরিকল্পিত ভাবে নজরুল ও শহিদুল্লাহর নেতৃত্বে ১০/১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল ফজলুল হকের বাড়িতে প্রবেশ করে তাদের চড়াও হয়ে বেধরক মারপিট করে এবং ফজলুল হকের মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় ক‚প দিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। এ সময় তার স্ত্রী রেজিয়া খাতুন ও ছেলে সিরাজুল ইসলাম ফজুলল হককে বাঁচাতে আসলে তাদেরকেও মারধর করে গুরুতর আহত করে।
এব্যাপারে রেজিয়া খাতুন বাদি হয়ে মুক্তাগাছা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
ঘটনার ৪দিন পর নজরুল গং মামলা থেকে বাচাঁর জন্য ফজলুল হকগং বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে। সরেজমিনে গিয়ে জানাযায়, স্থানীয় ইউপি সদস্য এলাকাবাসী জানায়, নজরুল ও শহীদুল্লাহ গং প্রকৃতপক্ষে এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী, ঝগড়াটে ও খারাপ প্রকৃতির লোক। এলাকাবাসীহ ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি নিরীহ ফজলুল হক ও তার স্ত্রী-পুত্রকে অন্যায়ভাবে মারধর করা হয়েছে। তারা নজরুল ও শহীদুল্লাহ গংদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।