রুপান্তর বাংলা রাঙ্গামাটি নিজস্ব প্রতিনিধি—পার্বত্য রাঙ্গামাটি জেলায় পুলিশ সুপার জনাব মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং চন্দ্রঘোনা থানার ওসি’র নেতৃত্বে অপহরণের শিকার এক নও-মুসলিম কলেজছাত্রীকে দীর্ঘ ২ মাস পর উদ্ধার করেছে পুলিশ।
উদ্ধারকৃত ছাত্রীর নাম আয়েশা সিদ্দিকা জারা (২২), পূর্ব নাম তন্নী দে রিপন্না। তিনি চট্টগ্রাম হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজের দর্শন বিভাগের অনার্স ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী। কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার বাসিন্দা তিনি।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ মার্চ ঈদগাঁও থেকে চট্টগ্রাম ফেরার পথে ওই ছাত্রীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এ ঘটনায় ঈদগাঁও থানায় মামলা দায়ের পর দীর্ঘ তদন্ত ও প্রযুক্তিগত নজরদারির মাধ্যমে গত বৃহস্পতিবার (১১ জুন) চন্দ্রঘোনা থানা পুলিশ রাঙ্গামাটির চন্দ্রঘোনা থানাধীন একটি ইসকন আশ্রম থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার করে। উদ্ধারের সময় তার মাও সেখানে ছিলেন।
চন্দ্রঘোনা থানা পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঈদগাঁও থানা পুলিশকে অবগত করলে এসআই মোঃ আজিমুল হকের নেতৃত্বে একটি টিম রাঙ্গামাটি এসে ভিকটিমকে হেফাজতে নেয়। বর্তমানে ভিকটিম পুলিশি হেফাজতে রয়েছে।
পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা
এই উদ্ধার অভিযানে রাঙ্গামাটির পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম-এর দিকনির্দেশনা ও চন্দ্রঘোনা থানা পুলিশের তৎপরতার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। দীর্ঘ ২ মাস পর ভিকটিমকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করায় পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ভিকটিমের পরিবার।
পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব বলেন, “মানব পাচার ও অপহরণের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান জিরো টলারেন্স। যেকোনো মূল্যে জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের দায়িত্ব।”
চন্দ্রঘোনা থানার ওসি’র দ্রুত সিদ্ধান্ত ও সমন্বয়ের কারণেই এই সফল উদ্ধার সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
রপান্তর বাংলা অনিয়মের বিরুদ্ধে, সত্যের পক্ষে
