কদমতলীতে মাদক সম্রাট হারুন অর রশীদ বেপরোয়া, আতঙ্কে এলাকাবাসী।

নিজস্ব প্রতিনিধি—রাজধানীর কদমতলী থানা এলাকার মাদক ব্যবসায়ী হারুন অর রশীদ তার কর্মকাণ্ড বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। হারুন অর রশীদ
রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের সাথে সাথে কদমতলী, যাত্রাবাড়ী থানার এলাকার বহু অপকর্মের হোতা চিহ্নিত মাদক সম্রাট বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এদের বিরুদ্ধে রয়েছে চাঁদাবাজি, মাদক ও নিজস্ব টর্চার সেল; অদৃশ্য কারণে প্রশাসন নিচ্ছে না কোনো ব্যবস্থা।

নিজেকে একজন গার্মেন্ট ব্যবসায়ী হিসেবে দাবি করে কিন্তু তার অন্তরালে মাদক ব্যাবসা সাথে সাথে সুদের ব্যাবসা চলমান রেখেছে। হারুনুর রশিদের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ থানায় অবস্থিত, দীর্ঘদিন ধরে তিনি কদমতলী এলাকায় বিভিন্নভাবে মাদকের ব্যাবসা করে আসছে কিন্তু প্রশাসনের অন্তরালে তিনি প্রতিনিয়ত মাদক বিক্রি এবং সেবন করে থাকে। এলাকাবাসীর তথ্যসূত্রে জানা যায়, এই হারুনুর রশীদ নিরীহ মানুষের কে টাকা সুদে লাগিয়ে তাদের থেকে দ্বিগুণ টাকা আদায় করে এবং সেই টাকা মাদক কেনাবেচার ক্ষেত্রে ব্যবহার করে। এলাকায় গত এক বছরে হারুনুর রশিদের মাদক বেচা কিনা নিয়ে এলাকাবাসী প্রতিবাদ করেছে একাধিক বার, এ ব্যাপারে কদমতলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি হয়েছিল, তারপরেও হারুনুর রশিদের মাদক বেচা বন্ধ হয়নি।

বিগত সময় ছিলো আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতাদের ছত্রছায়া আর বর্তমানে বিএনপির নেতাদের সাথে থেকে তাদের ছত্রছায়ায় মেরাজ নগর, শনি আখড়া, রায়েরব, যাত্রাবাড়ী আশেপাশে এলাকাগুলোতে গড়ে তুলেছেন মাদকের স্বর্গরাজ্য।
হারুন অর রশিদের একটি সক্রিয় কিশোর গ্যাং বাহিনী, মাদকের বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে এই বাহিনী দ্বারা বিভিন্ন হেনস্তা ও হামলার শিকার হতে হয়।
আওয়ামী লীগের দোসর হিসেবে পরিচিত হারুনুর রশীদ এখন তার লেবাস পালটিয়ে, বিএনপির ট্যাগ লাগিয়ে এবং নেতাদের সাথে ছবি তুলে বিএনপি’র কর্মী হিসেবে দাবি করে। সে সুদ ও মাদক ব্যবসায় করছেন একজন গার্মেন্ট ব্যবসায়ী হিসাবে সবার কাছে তুলে ধরে, কিন্তু সত্যিকার অর্থে এই হারুনুর একজন মাদক সেবী ও ব্যবসায়ী। হারুনুর রশিদের সুদের টাকা না দিতে পেরে বিগত দুই তিন বছর আগে বাবুর নামে একজন ব্যবসায়ী ফাঁসি দিয়ে মারা যায়।
হারুনুর রশীদ মানুষের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে, হয়েছে নিজস্ব টর্চার, সাধারণ ব্যবসায়ীদেরকে জিম্মি করে রাতভর তাদের উপরে অমানুষিক নির্যাতন আদায় করা হয় অর্থ, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে গেলেই দেওয়া হয় হত্যার হুমকি, হারুনুর রশিদের নির্যাতনের শিকার অনেক সাধারণ ব্যবসায়ী রয়েছে, তেমনি ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী আব্দুল্লাহ আল মামুন ও বঙ্গবাজারের ব্যবসায়ী ইদ্রিস বলেন, হারুন অর রশীদ নিজেকে বিএনপি’র বিভিন্ন এমপি, মন্ত্রীর নাম ব্যবহার করে তার অসাধু সুদের ব্যাবসা, মাদকের বাণিজ্য করছেন, প্রতিদিন রাতেই তার অফিসে চলে মাদকের সেবনের মহাযজ্ঞ। হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা।