“মামলা করায় ক্ষিপ্ত ওয়ারেন্টের আসামিরা! ছেলেকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টা পৈত্রিক ভিটা দখল বিধবার”

মামলার ওয়ারেন্টের আসামিদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস, হামলা ও মাদক অস্ত্রের ব্যবসার অভিযোগ; আতঙ্কে বাড়িছাড়া পরিবার

রূপান্তর বাংলা প্রতিনিধি : শাহিন আহমেদ।

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার ঘাগটিয়া এলাকায় পৈত্রিক সম্পত্তি দখলকে কেন্দ্র করে এক বিধবা নারী ও তার পরিবারের ওপর দীর্ঘদিন ধরে হামলা, নির্যাতন ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী কামরুন্নাহার (৪৬) অভিযোগ করেন, স্বামী ফটিক মিয়ার মৃত্যুর পর থেকে তার ভাসুর আউয়ালসহ পরিবার
১। মাসুদ (৪৫) ২। রিয়াজ উদ্দিন (২৪) ৩। মামুন (৩২) ৪। আউয়াল (৫৮) এই কয়েকজন সদস্য মিলে বসতবাড়ি দখলের অপচেষ্টা চালিয়ে আসছেন। এবং বেশ কয়েক মাস আগে দেশী অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করার চেষ্টা চালানো হয় এতে মামলা করিলে ওয়ারেন্ট জারি হয় ২ জন আসামির বিরুদ্ধে এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আবারো গত ১৭ মে ২০২৬ রাত আনুমানিক ৯টার দিকে কামরুন্নাহারের দ্বিতীয় ছেলে পারভেজ (২৬) ঘাগটিয়া চালা বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে শামীমের পুকুরের দক্ষিণ পাশের পাকা সড়কে পৌঁছালে ওঁৎ পেতে থাকা অভিযুক্তরা তার গতিরোধ করে। এরপর তাকে টেনে-হিঁচড়ে নির্জন স্থানে নিয়ে ধারালো অস্ত্র, লোহার রড, হকিস্টিক ও লাঠিসোটা দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
কামরুন্নাহার দাবি করেন, হামলাকারীরা পারভেজকে হত্যার চেষ্টা করে এবং তার লাশ গুম করে পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের হুমকিও দেয়। স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
গুরুতর আহত অবস্থায় পারভেজকে প্রথমে কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরবর্তীতে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তর করা হয়।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, অভিযুক্তরা এখনও অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাদের বসতবাড়ির আশপাশে ঘোরাফেরা করছে। নিরাপত্তাহীনতার কারণে তারা বর্তমানে অন্যত্র ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন।
স্থানীয়দের একটি অংশের দাবি, অভিযুক্তরা এলাকায় প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত এবং তাদের বিরুদ্ধে মাদক এবং অস্ত্র পাচারের সাথে জড়িত অভিযোগও রয়েছে।
এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।