রুপান্তর বাংলা, রাঙ্গামাটি জেলা সংবাদদাতা
রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলী উপজেলার চন্দ্রঘোনা থানাধীন বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের সফিপুর এলাকায় জুমার নামাজের পর মসজিদের সামনে এক ইউনিয়ন আনসার কমান্ডারের উপর হত্যার উদ্দেশে পরিকল্পিত হামলা ও ডাকাতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলার সময় বাবাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসা মেয়ে মারাত্মক আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ।
ভুক্তভোগী আনসার কমান্ডার জানান, গত ১৯ জুন শুক্রবার জুমার নামাজের পর আনুমানিক ২টার দিকে বাজারে যাওয়ার পথে স্থানীয় মসজিদের সামনে সন্ত্রাসী মিজানুর রহমান প্রিন্স, আব্দুল জব্বার, তালিব মাওলা এর নেতৃত্বে ২০-৩০ জনের মত একদল দুর্বৃত্ত তার উপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা এলো পাতারি কিল ঘুসি লাথি মারে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে যখম করে,
আনসার কমান্ডার আব্দুর রাজ্জাক আরও বলেন বিগত কিছুদিন আগে আমার ছোট ভাই সফিপুর সরকারি কবরস্থানের গাছ টেন্ডারবিহীন বিক্রি এবং গত ১৮/ ০৬/ ২০২৬ ইং তারিখে একটি মসজিদ- এর ৪ টি নাম ব্যবহার করে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ এর নিউজ প্রকাশ করার কারণে ১৯/০৬/২৬ ইং তারিখ আনুমানিক ২ ঘটিকার সময় আমাকে প্রাণে মেরে ফেলার জন্য তারা এই হামলা করে, তারা মুখে বলে সমস্ত নিউজ তুই করিয়েছিস, আমার মেয়ে আমাকে মারতেছে এমন খবর পাওয়ার পর আমাকে বাঁচাতে এসে আমার মেয়ের চুলের মুঠি ধরে রাখে মাকুলি, মিজান, তালিব, জব্বার এলোপাতাড়ি কিল ঘুসি লাথি মেরে আমার মেয়ের শরীর থেকে অনেক রক্ত ঝরিয়েছে। আমার মেয়ে তিন মাসের গর্ভবতী ছিল অনেক চেষ্টা করেছি তার বাচ্চাকে রক্ষা করতে কিন্তু পারিনি। আমার মেয়ের কানের ফুল ধরে টান দিয়ে নিয়ে নেওয়ার কারণে কান থেকে ও রক্ত ঝাড়ছে।
বর্তমানে বাবা-মেয়ে দুজনেই চিকিৎসাধীন রয়েছি।
ভুক্তভোগী আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা তার পকেট থেকে নগদ ১৮৫০০- হাজার টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। পরবর্তীতে মোবাইল ফেরত দিলেও টাকা ফেরত দেয়নি। এছাড়া মেয়ের গলা ও কান থেকে স্বর্ণালংকারও ছিনিয়ে নেয় তারা।
তিনি জানান, এর ১৪ দিন আগে তার বিধবা মা জমি সংক্রান্ত বিরোধে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন চন্দ্রঘোনা থানা মামলার নং ০২/২৬ তারখি ৫/৬/২০২৬ মামলা এবং ছোট ভাই যে দুটি নিউজ করেছে সেই নিউজের জের ধরেই তাকে ও তার মেয়েকে হামলার শিকার হতে হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী চন্দ্রঘোনা থানায় মামলা দায়ের আবেদন করেছেন। এলাকার সচেতন মহল দ্রুত দোষীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
ঘটনাটি স্থানীয় সেনাবাহিনী ও জোন কমান্ডার মহোদয়কে জানানো হলে তাঁরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী (পুলিশ) এর সহযোগিতা নিতে বলেন।
ভুক্তভোগী বলেন প্রয়োজনে আনগত ব্যবস্থার জন্য থানা অথবা কোটে আমরা যাব।
রপান্তর বাংলা অনিয়মের বিরুদ্ধে, সত্যের পক্ষে
