পার্বত্য এলাকায় গাছ পাচার সিন্ডিকেট! ফরেস্টার-ডিপুর যোগসাজশে উজাড় হচ্ছে বন: শিক্ষা শ্রম বন ও পরিবেশ রক্ষা সোসাইটি

বিশেষ প্রতিনিধি আব্দুল কাদের–পার্বত্য এলাকায় এখন আর গোপনে নয়, বন বিভাগের লোকদের প্রত্যক্ষ যোগসাজশেই চলছে গাছ পাচারের মহোৎসব। অভিযোগ উঠেছে, পাচারকারীদের সাথে হাত মিলিয়েছে স্থানীয় ফরেস্টার ও ডিপু রেঞ্জ অফিসাররা।

এ বিষয়ে “শিক্ষা শ্রম বন ও পরিবেশ রক্ষা সোসাইটি” এর চেয়ারম্যান জনাব রিয়াজ উদ্দিন রানা* বলেন,
“আমরা মাঠে দেখছি জোত পারমিটের নামে ভুয়া কাগজ বানিয়ে নির্বিচারে পাহাড়ের গাছ কাটা হচ্ছে। গাছ হচ্ছে অক্সিজেন ফ্যাক্টরি। দেশ বাঁচলে মানুষ বাঁচবে। কিন্তু ফরেস্টার-ডিপুরাই যদি পাচারকারীদের সহযোগিতা করে তাহলে ৫ বছরের মধ্যে আমাদের পাহাড় মরুভূমি হয়ে যাবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্লোগান সবার আগে বাংলাদেশ। তাই আগে পরিবেশ বাঁচাতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “অবিলম্বে সকল ভুয়া জোত পারমিট বাতিল করে জড়িত ফরেস্টার, ডিপু ও পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। নাহলে আমরা কঠোর আন্দোলনে যাবো।”

স্থানীয় সূত্রের দাবি, মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে কাটা গাছকে বৈধ করে “চলাচল পাস” দেওয়া হচ্ছে। যার ফলে ট্রাক ভর্তি করে দিনে-রাতে কাঠ পাচার হলেও বন বিভাগ দেখেও না দেখার ভান করছে।

শিক্ষা শ্রম বন ও পরিবেশ রক্ষা সোসাইটির চেয়ারম্যান বলেন আমাদের ৩ দফা দাবি:
১- সকল ভুয়া জোত পারমিট বাতিল করতে হবে
২-জড়িত ফরেস্টার, ডিপু ও পাচারকারীদের গ্রেফতার করতে হবে
৩-পার্বত্য এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জোরদার করতে হবে।