নিজস্ব প্রতিবেদক- রূপান্তর বাংলা–গত ৩০ আগস্ট এমপি দীপেন দেওয়ানের এপিএস আলামিনের দাপটে অসহায় সাধারণ নাগরিক” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদে ভুক্তভোগী নেতার পদবীতে অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য রূপান্তর বাংলা আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে।
সংশোধনীর কারণ
প্রকাশিত সংবাদটি প্রকাশের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতীদল রাঙ্গামাটি পৌর শাখার আহ্বায়ক মো: শহিদুল ইসলাম রূপান্তর বাংলার সম্পাদককে ফোন করে বিষয়টি জানান। তিনি বলেন, আমি তো কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ দেইনি, ভুল পদবীর কারণে দলের নেতাকর্মীরা আমাকে ভুল বুঝছেন। এ ভুল বোঝাবুঝির অবসান চাই।
তার অনুরোধের প্রেক্ষিতে এই সংশোধনী প্রকাশ করা হলো।
সঠিক তথ্য:
প্রকাশিত সংবাদে যে বক্তব্যটি “তাঁতী দলের আহ্বায়ক” হিসেবে ছাপা হয়েছিল, সেটি প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতীদল রাঙ্গামাটি পৌর শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক মো: শফিকুল ইসলাম এর বক্তব্য।
টাইপিং ভুলের কারণে “যুগ্ম” শব্দটি বাদ পড়ে যায়। এজন্য আমরা দুঃখিত।
এবং মো: শহিদুল ইসলাম হলেন রাঙ্গামাটি পৌর তাঁতীদলের আহ্বায়ক-
যুগ্ম আহ্বায়ক মো: শফিকুল ইসলাম বলেন, একটি সুপারিশের জন্য ৪ দিন ধরে এমপি মহোদয়ের কার্যালয়ে ঘুরেছি। কিন্তু এপিএস আলামিন ভিতরে যেতে দেয়নি। তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হয়েও দেখা পেলাম না। যুগ্ম আহ্বায়কই যদি ৪ দিন ঘুরে দেখা না পায়, তাহলে সাধারণ মানুষ যাবে কার কাছে?
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা মৌখিকভাবে সাংবাদিককে অভিযোগ করেছেন যে, এপিএস আলামিনের কারণে তারা মাসের পর মাস এমপির সাথে দেখা করতে পারছেন না। এমনকি সাধারণ জনগণও চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ – জেএসকেপির চেয়ারম্যান মোঃ রিয়াজ উদ্দীন রানা বলেন, অনিচ্ছাকৃত টাইপিং ভুলের জন্য আমরা দুঃখিত। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক নেতাকর্মীই একই অভিযোগ করছেন। এটা প্রমাণ করে সমস্যাটি ব্যক্তিগত না, প্রাতিষ্ঠানিক। আমরা সাবেক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের কাছে দাবি জানাই, অবিলম্বে এপিএস কালচার বন্ধ করে দল ও জনগণের জন্য দরজা খুলে দিন।
রপান্তর বাংলা অনিয়মের বিরুদ্ধে, সত্যের পক্ষে
