হ্যালো কমিশনার দৃষ্টি দেবেন কি– পাহাড়তলী থানা পুলিশের বিরুদ্ধে সেবা না পাওয়ার অভিযোগ, ভরসা শুধু এসি স্যার

রূপান্তর বাংলা ডেক্স—চট্টগ্রাম মহানগরীর পাহাড়তলী থানা পুলিশের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে সেবা না দেওয়ার বিস্তর অভিযোগ উঠলেও ব্যতিক্রম হিসেবে প্রশংসা পাচ্ছেন সার্কেলের সহকারী কমিশনার (এসি) স্যার।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, থানায় গেলে ডিউটি অফিসার থেকে শুরু করে সাধারণ পুলিশ সদস্যরা মামলা নিতে চান না, ভালো ব্যবহার করেন না। গরিব মানুষ গেলে পাত্তাই দেওয়া হয় না। কিন্তু একই অভিযোগ নিয়ে এসি স্যারের কাছে গেলে তিনি ১০০% সহযোগিতা করেন।

স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “থানায় ১০ ঘণ্টা বসে থেকেও জিডি করতে পারিনি। পরে এসি স্যারের কাছে গেছি, উনি সাথে সাথে ফোন করে ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। থানার পুলিশের সহযোগিতা না পেলেও এসি স্যারের সহযোগিতা পাই।

তবে প্রশ্ন উঠেছে, এসি সাহেব কতক্ষণ থানায় থাকবেন? একজন এসি সাহেবের অধীনে তো একটা থানা নয়, একাধিক থানার দায়িত্ব। তিনি সবসময় থানায় উপস্থিত থাকেন না। তিনি না থাকলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আবার আগের মতোই থেকে যায়।

এলাকাবাসীর প্রশ্ন – থানা পুলিশের কাজ কি তাহলে এসি স্যার করবেন? থানায় বসে থাকা অফিসাররা তাহলে কেন? ওসি সাহেবের সঙ্গে দেখা করা যায় না দেখা করলে তিনি পীরে তরিকত বনে যান। বাস্তবে তার বিপরীত।

ভুক্তভোগীদের দাবি, শুধু এসি স্যারের উপর ভরসা করে একটি থানা চলতে পারে না। থানার ভেতরের সেবার মান বাড়াতে হবে। মামলা হলেও আসামি ধরা হয় না, রাজনৈতিক নেতাদের ফোনে পুলিশ চুপ হয়ে যায় – এই সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে।
ভুক্তভোগী আর একজন বলেন প্রায় এক বছর হয়ে গেল একটি মামলা করছি আসামি চোখের সামনে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ তাদের ধরে না এমনকি মামলার চার্জশিট কোটে পাঠাচ্ছে না।

আরেকজন বক্তভোগী বলেন আমার ছেলেকে মেরে হাতের  হাড় ভেঙে দিয়েছে আমি মামলা করতে গেছি থানায় মামলা নেয় না তারপর এসি স্যারের নিকট দেখা করলে এসি স্যারের নির্দেশে থানায় মামলা রেকর্ড করে,/থানার ওসি ও সেকেন্ড  অফিসার সোনার হরিণের মত –
আরেকজন বলছেন আমার এক মেয়েকে বকাটে ছেলেরা তুলে নিয়ে গেল আমি থানায় এসি সাহেবের সহযোগিতায় ডায়েরি করেছি আমি নিজে খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারি আমার মেয়েকে নিয়ে বিয়ে করেছে মেয়ের বয়স ১৩ বছর ছেলের মা নিজে স্বীকার করতেছে সে আমার মেয়েকে বিয়ে দিছে তাকে উদ্ধারের ভূমিকা তেমন নাই পুলিশের, আমরা মেয়েকে উদ্ধারের জন্য কক্সবাজার রামুতে গেলে পাহাড়তলী থানা পুলিশের সহযোগিতা তেমন পাইনি কিন্তু এসি সাহেবের সহযোগিতার কারণে রামু থানার পুলিশ ও আমাদেরকে সহযোগিতা করেছে।
ছেলের অভিভাবক পক্ষের কাউকে যদি থানায় ধরে নিয়ে আসতো মেয়ে উদ্ধার হত, এখনো মেয়ে উদ্ধার হয়নি।

এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী, যাতে থানায় গেলেই সাধারণ মানুষ সরাসরি সেবা পায়, এসি স্যার পর্যন্ত যাওয়ার প্রয়োজন না পড়ে।