ওয়াশিংটন থেকে বিশ্বকে বার্তা: বিহাইন্ড দ্য সিনস অপারেটর সজীব ওয়াজেদ জয়

রূপান্তর বাংলার বিশেষ প্রতিবেদন—যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসির ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবের ঐতিহাসিক লিসাগর রুমে অনুষ্ঠিত হলো এক তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা। “বাংলাদেশ ইন ক্রাইসিস: ডেমোক্রেসি, এক্সট্রিমিজম অ্যান্ড ইমার্জিং থ্রেট টু রিজিওনাল সিকিউরিটি” শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সেন্টার ফর ইউএস-বাংলাদেশ রিলেশনস।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে সরাসরি উপস্থিত ছিলেন তার সুযোগ্য পুত্র, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের রূপকার সজীব ওয়াজেদ জয়।

মা ও ছেলের এই আবেগঘন উপস্থিতি সেখানে উপস্থিত সকলের নজর কাড়ে।

অনুষ্ঠানের ৩টি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা:

১. আওয়ামী লীগের জন্য নিজেদের জীবন উৎসর্গ করতে প্রস্তুত হাসিনা পরিবার, তারা বাংলাদেশের মানুষকে একা ফেলে যাবেন না।

২. মায়ের নিরাপত্তার স্বার্থে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন ২.০ সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে।

৩. সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, “মায়ের বয়স হয়েছে, তবুও দেশের প্রতি তার টান ও দায়িত্ববোধ কমেনি।” ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন শেখ হাসিনা।

আলোচনায় উঠে আসে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের হারমিশিয়ান অপারেটরের মতোই জয়ের ভূমিকা। কম্পিউটারের পাইথন, জাভার মতো লজিক্যাল অপারেটর যেমন পর্দার আড়ালে থেকে পুরো সিস্টেম চালায়, সজীব ওয়াজেদ জয়ও আওয়ামী লীগের জন্য তেমনি এক লজিক্যাল অপারেটর।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি “সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে বৈরিতা নয়” — এই নীতির আলোকে তিনি বর্তমান সংকটকে চার ভাগে ব্যাখ্যা করেন: মিয়ানমার সংকট, ভূ-রাজনৈতিক মেরুকরণ, রাজনৈতিক রূপান্তর ও অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা এবং চরমপন্থা ও উগ্রবাদের উত্থান। এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি বিশ্বনেতাদের কাছে বাংলাদেশের সংকট ও শেখ হাসিনার নিরাপত্তার বিষয়টি নতুন করে তুলে ধরেন।

সজীব ওয়াজেদ জয় হার্ভার্ডের জন এফ কেনেডি স্কুল অব গভর্নমেন্টের গ্র্যাজুয়েট, ২০০৭ সালে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম কর্তৃক ইয়াং গ্লোবাল লিডার নির্বাচিত। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, হাই-টেক পার্কের মাধ্যমে বাংলাদেশের আইটি বিপ্লবের নেপথ্য কারিগর তিনি। ওয়াশিংটনের প্রভাবশালী লবিস্ট ফার্ম ও মার্কিন কংগ্রেসের ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটিতে তার বক্তব্য অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হয়।

অনুষ্ঠান শেষে একটাই বার্তা ছিল — “এখন শুধু বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষের অপেক্ষার পালা।