চট্টগ্রাম নগরীর পরিচিত মুখ শিক্ষিকা রাজিয়া সুলতানা। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা অঙ্গনের সঙ্গে সম্পৃক্ত এই শিক্ষিকা সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে যাচ্ছেন। একজন শিক্ষক শুধু পাঠদানই করেন না, তিনি একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই রাজিয়া সুলতানা বছরের পর বছর ধরে শিক্ষার্থীদের শিক্ষিত ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন।
সাধারণ পরিবারে বেড়ে ওঠা রাজিয়া সুলতানার শৈশব কেটেছে সংগ্রাম ও অধ্যবসায়ের মধ্য দিয়ে। ছোটবেলা থেকেই তিনি ছিলেন মেধাবী, পরিশ্রমী এবং শিক্ষার প্রতি গভীর অনুরাগী। পারিবারিক নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও তিনি নিজের শিক্ষাজীবন সফলভাবে সম্পন্ন করেন এবং শিক্ষকতা পেশাকে বেছে নেন।
শিক্ষকতা তার কাছে শুধু একটি পেশা নয়, বরং একটি মহান ব্রত। শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষা, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধ গঠনে তিনি সবসময় গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। তার সহকর্মী ও শিক্ষার্থীদের কাছে তিনি একজন আন্তরিক, সহানুভূতিশীল এবং দায়িত্বশীল শিক্ষক হিসেবে পরিচিত।
পারিবারিক জীবনেও রাজিয়া সুলতানা একজন আদর্শ মা ও অভিভাবক হিসেবে পরিচিত। সন্তানদের উচ্চশিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। পরিবার, সমাজ এবং পেশাগত দায়িত্বের মধ্যে সুন্দর ভারসাম্য বজায় রেখে তিনি এগিয়ে চলেছেন নিজের স্বকীয়তায়।
সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও তার আগ্রহ রয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবিক উদ্যোগে তিনি নিয়মিত অংশগ্রহণ করে থাকেন। অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং শিক্ষার প্রসারে ভূমিকা রাখার মানসিকতা তাকে সমাজে একটি সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে গেছে।
জীবনের নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আজ তিনি অনেকের কাছে অনুপ্রেরণার নাম। সততা, অধ্যবসায় ও কর্মনিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেছেন যে, একজন মানুষের প্রকৃত পরিচয় তার কর্মেই নিহিত।
শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চার মাধ্যমে আগামী প্রজন্মকে আলোকিত করার যে প্রয়াস রাজিয়া সুলতানা চালিয়ে যাচ্ছেন, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। তার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং কর্মময় জীবনের সফলতা কামনা করছেন সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও শুভানুধ্যায়ীরা।
লেখক: আজগর আলী মানিক
সম্পাদক, সিটিজি ক্রাইম নিউজ
রপান্তর বাংলা অনিয়মের বিরুদ্ধে, সত্যের পক্ষে
