ময়মনসিংহ থেকে সিরাজুল হক সরকার।।
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার ছালড়া গ্রামের মৃত আব্দুর ছবুর এর পুত্র এ.এস.এম গোলাম মুর্শেদ সাঈদ কুখ্যাত ব্যাংক ঋণ জালিয়াতির মামলার আসামি তার কুকৃত্তি প্রকাশ করায় তার ভাতিজা আবু নাহিদকে হত্যার চেষ্টা। এই ব্যাপারে আবু নাহিদ বাদী হয়ে ময়মনসিংহ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিট্রেট আদালতে মামলা করেছে।
জানা যায় এ.এস. গোলাম মুর্শেদ সাঈদ ট্রাস্ট ব্যাংক থেকে মুক্তাগাছা উপজেলার ছালড়া মৌজার এগারটি দাগে ৪.৭৫ একর জমি ভূয়া খারিজ ও দলিল দেখিয়ে ১১ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা ঋণ নেয়। বিষয়টি পরবর্তীতে ধরা পড়ার পর এই বিষয়ে শেখ সালাউদ্দিন বাদী হয়ে ময়মনসিংহ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিট্রেট আদালতে মামলা করেন। যার মামলা নং-৪২০/২০২৫, ধারা ৪০৬,৪২০,৪৬৮,৫০৬ (ওও) ৩৪। একই আদালতে সাঈদের বিরুদ্ধে তার শ্যালক এ.এস.বি মজুমদার টিংকু সিলভ্যান এগ্রো ফিসারী লিমিটেড এর চার জন মালিক থাকা সত্বেও প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে একক মালিকানা জাল আর্টিক্যাল মেমোরিয়াল তৈরী করে মালিকানায় দাবী করায় তার বিরুদ্ধে আদালতে সিআর মামলা নং-১২৩৬/২০২৪ মামলা করে।
২০১৫ সালে আবু নাহিদ তার পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া বি.আর.এস খতিয়ান-২২৪, দাগ নং-১৬২, জমির পরিমাণ- ৯৮ শতাংশসহ আরও অন্যান্য দাগে গোলাম মুর্শেদ সাঈদ ও তার পার্টনার আতিকুর রহমান খান জাল জালিয়াতি ও প্রতারণা করে ভূয়া ৮২৩ নং নামজারি তৈরি করে ব্যক্তিগত খতিয়ান ২২৭ এ ১৬২ নং দাগের জমি অর্ন্তভূক্ত করে ময়মনসিংহ পদ্মা ব্যাংক শাখা ছোট বাজার হইতে ১৬ কোটি টাকা ঋণ গ্রহণ করে। পদ্মা ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ঋণ খেলাপির দায়ে বন্ধকী জমিতে সাইন বোর্ড দিতে গেলে জমির প্রকৃত মালিক নাহিদ গং বাধা প্রদান করে এবং সাঈদের জালিয়াতির বিষয়টি জেনেফেলে। আবু নাহিদ ছালড়া গ্রামের অসহায় প্রতিবন্ধী পরিবারের একমাত্র অবলম্বন। আবু নাহিদকে গত ০৮/০৮/২০২৬ইং তারিখ শুক্রবার বেলা ৩টাই প্রকাশ্য দিবালকে তার বাড়ী হইতে জোর পূর্বক সাঈদ এর বাড়ীতে ধরে নিয়ে যায়। সাজাপ্রাপ্ত ফেরারী আসামী গোলাম মুর্শেদ সাঈদ এর নেতৃতে তার পার্টনার আতিকুর রহমান খান, গোলাম মোস্তফা রতন ও তার ভাই মোফাখখাইরুল ইসলাম কাজল, দেওয়ান মুস্তাক শিরুল হক সুমন তারা প্রত্যেকেই সাঈদের ভাতিজা ও আরও ১০/১৫ জন অজ্ঞতা নামা ঢাকা থেকে আনা ভাড়াটিয়া গুন্ডা জোর করে জমে লিখে নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে । আবু নাহিদ জমি দিতে অস্বীকার করায় সাঈদের হুকুমে তারা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় কুপ দেয় ও লোহার রট দিয়ে পিটিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাত্ত ও নিলাফুলা জখম করে। আহাত আবু নাহিদ চিকিৎসা শেষে ময়মনসিংহ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। গোলাম মুর্শেদ সাঈদ, আতিকুর রহমান খান, গোলাম মোস্তফা রতন ও মোফাখখাইরুল ইসলাম কাজল ৪ জনকে আসামী করে মামলা করা হয়। মামলা করার পর সাঈদ গং রা আবু নাহিদকে হত্যা করার জন্য বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিচ্ছে। আবু নাহিদের মা আশাফুন নাহার (৯০), বৃদ্ধ মহিলা জানান আমার ঘরে দুই জন মানসিক প্রতিবন্ধী ছেলে ও নাতীসহ মোট ৯ সদস্যের সংসার একমাত্র নাহিদ সংসারের দায়বার বহন করে চলছে। তাকে হত্যার জন্য সাঈদ গং রা প্রতিনিয়ত হুমকি দিচ্ছে। আমি আমার ছেলের জীবনের নিরাপত্তাসহ আবু সাঈদ গংদের বিচার দাবী করছে এই ব্যাপারে প্রশাসনের দৃষ্টিচ আকর্ষণ করা হচ্ছে।
রপান্তর বাংলা অনিয়মের বিরুদ্ধে, সত্যের পক্ষে
