রাঙ্গামাটি কোতয়ালী থানার বিশেষ অভিযানে ০৬ আসামি গ্রেফতার।

রুপান্তর বাংলা ডেক্স —আজ ১৪ আগস্ট ২০২৬ খ্রি. তারিখ রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ সুপার জনাব মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম-এর নির্দেশনায় কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ জসীম উদ্দীনের নেতৃত্বে থানা পুলিশের একটি আভিযানিক দল রিজার্ভ বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানকালে জুয়া খেলার অপরাধে ০৪ জন জুয়াড়ি, দাঙ্গা ও মাদকসেবনের অপরাধে ০১ জন এবং বাইক চুরির অপরাধে ০১ জনসহ মোট ০৬ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেন ১। মোঃ রফিক(৪০), পিতা- মৃত দেলা মিয়া, মাতা- মৃত নুরজাহন বেগম, সাং- সৈয়দ নগর, চরনদ্বীপ, ৪নং ওয়ার্ড, থানা- বোয়ালখালী, জেলা-চট্টগ্রাম, বর্তমান- ম্যানেজার আল- আমানত বোডিং, রিজার্ভ বাজার, থানা- কোতয়ালী, জেলা- রাঙ্গামাটি, ২। মোঃ নুরুল আমিন(৩৮), পিতা- মৃত মফিজুর রহমান, মাতা- মিরাজ খাতুন, সাং- নিছার বড় পাড়া, ৫নং ওয়ার্ড, বড়হাতিয়া হউনিয়ন, থানা- লোহাগাড়া, জেলা- চট্টগ্রাম, বর্তমান- ঝাল বিতান এর মালিক, রিজার্ভ বাজার, থানা- কোতয়ালী, জেলা- রাঙ্গামাটি, ৩। আবু তাহের(৪৭), পিতা- মৃত মোঃ কালু, মাতা- মাহমুদা খাতুন, সাং- দিয়ারচর, ৭নং ওয়ার্ড, পশ্চিম বেওলা, মানিকছড়ি ইউনিয়ন, থানা- চকরিয়া, জেলা- কক্সবাজার, বর্তামান- রিজার্ভ বাজার, থানা- কোতয়ালী, জেলা- রাঙ্গামাটি, ৪। মোঃ খোরশেদ আলম(৫৫), পিতা- মোঃ আমানউল্লা, মাতা- ফিরোজা আক্তার, সাং- উকিল পাড়া মোড়, ৬নং ওয়ার্ড, থানা- ধর্মপাশা, জেলা- সুনামগঞ্জ, বর্তমানে- আল-আমানত বোডিং এর ভাড়াটিয়া, রিজার্ভ বাজার, থানা- কোতয়ালী, জেলা- রাঙ্গামাটি’দের জুয়া খেলার অপরাধে হতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। ৫। মোঃ মানিক (৪৫), পিতা- হারু অর রশিদ, মাতা- মাজেদা বেগম, সাং- করল্লাছড়ি, থানা- লংগদু, জেলা- রাঙ্গামাটি, বর্তমানে- স্বর্ণটিলা (হিন্দুপাড়া), ৫নং ওয়ার্ড, থানা- কোতয়ালী, জেলা- রাঙ্গামাটি কে চুরি মাদকসেবি ও দাঙ্গা সংগঠনের অপরাধে গ্রেফতার করা হয়। ৬। আরিফুল্লা আসিফ (২৪), পিতা- সিরাজুল ইসলাম, মাতা- সালমা বেগম, সাং- বাইট্টাপাড়া, মাইনীমুখ, থানা- লংগদু, জেলা- রাঙ্গামাটিকে বাইক চুরির অপরাধে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে।

রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশ মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, অবৈধ অস্ত্র, কিশোর গ্যাং ও সকল ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে নিয়মিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।