এম এ রাশেদ চৌধুরী:–চট্টগ্রামে বিভিন্ন সময় হারিয়ে যাওয়া ও বেহাত হওয়া সরকারি অস্ত্রের ৮৪ শতাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো ১৬ শতাংশ অস্ত্র উদ্ধার হয়নি। এসব অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৭)।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের চান্দগাঁওয়ে র্যাব-৭-এর মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র্যাব-৭-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মোস্তাফিজুর রহমান। এ সময় র্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-৭-এর অধিনায়ক বলেন, বিভিন্ন সময়ে হারিয়ে যাওয়া সরকারি অস্ত্র উদ্ধারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে হারিয়ে যাওয়া সরকারি অস্ত্রের ৮৪ শতাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি ১৬ শতাংশ অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ১৬ শতাংশের মধ্যে আরও ১৫০টি অস্ত্র উদ্ধার করা বাকি রয়েছে।
তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তি স্বেচ্ছায় অস্ত্র ও গোলাবারুদ সংক্রান্ত তথ্য দিয়ে তা উদ্ধারে সহায়তা করলে সরকার ঘোষিত নীতিমালা অনুযায়ী পুরস্কার দেওয়া হবে। তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে।
ঘোষণা অনুযায়ী, ভারী অস্ত্র—রাইফেল, এসএমজি ও স্নাইপার রাইফেলের তথ্য দিয়ে অস্ত্র উদ্ধারে সহায়তা করলে ২ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। শটগান ও পিস্তলের ক্ষেত্রে পুরস্কারের পরিমাণ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার সেলের তথ্য দিলে ১ হাজার ৫০০ টাকা করে পুরস্কার দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-৭-এর সাম্প্রতিক বিভিন্ন অভিযানের তথ্যও তুলে ধরা হয়। সম্প্রতি অভিযানে হারানো সরকারি বিদেশি পিস্তল
উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানানো হয়। উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও অভিযানের বিভিন্ন তথ্য সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করেন র্যাব কর্মকর্তারা।
এ সময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন র্যাব-৭-এর অধিনায়ক। জঙ্গল সলিমপুরের সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও সেখানকার সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, জঙ্গল সলিমপুরে র্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারির পাশাপাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। যেকোনো সময় তাদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হবে র্যাব।সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-৭-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রপান্তর বাংলা অনিয়মের বিরুদ্ধে, সত্যের পক্ষে
