রুপান্তর বাংলা বিশেষ প্রতিনিধি—পাহাড়ের কোল ঘেঁষে ভেসে চলা মেঘের দল, সবুজ উপত্যকা আর শান্ত বাতাসের যে সাজেক প্রতিদিন হাজারো মানুষের হৃদয় শান্ত করতো, সেই পর্যটন নগরী এখন স্তব্ধ ও ব্যাকুল। চারপাশের স্নিগ্ধ সৌন্দর্যকে একপাশে ঠেলে সাজেকজুড়ে হঠাৎ করেই নেমে এসেছে অনিশ্চয়তা আর নীরব হাহাকার।
খাগড়াছড়ির দীঘিনালার জোড়াব্রীজ থেকে সাজেকগামী সড়কে অনির্দিষ্টকালের জন্য সড়ক অবরোধের ডাক দেওয়া হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) থেকে ‘সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি’ ও ‘সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশন’-এর যৌথ আহ্বানে এই কর্মসূচি শুরু হতে যাচ্ছে। হঠাৎ করে ঘোষিত এই সড়ক অবরোধের ফলে সাজেকের পর্যটন শিল্পে চরম অচলাবস্থা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সরেজমিনে জানা গেছে, যে সাজেকে পৌঁছানোর জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকরা উন্মুখ হয়ে থাকেন এবং চাঁদের গাড়ির (জিপ) হর্নে মুখরিত থাকে পাহাড়ি আঁকাবাঁকা পথ, সেই সড়কে এখন শুধুই থমথমে পরিবেশ। অনির্দিষ্টকালের এই অবরোধের কারণে ইতিমধ্যে সাজেকগামী হাজার হাজার পর্যটকের ভ্রমণ পরিকল্পনা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
অবরোধের ফলে শুধু পর্যটকদের ভ্রমণের আনন্দই ব্যাহত হচ্ছে না, বরং এর সঙ্গে সরাসরি জড়িয়ে পড়েছে সাজেকের শত শত স্থানীয় মানুষের রুটি-রুজির ভবিষ্যৎ। সাজেকের রেস্তোরাঁ, কটেজ মালিক, জিপগাড়ির চালক থেকে শুরু করে প্রান্তিক বাসিন্দারা চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন। পর্যটকহীন স্তব্ধ সাজেক যেন তার চেনা রূপ হারিয়ে নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ার উপক্রম হয়েছে।
পাহাড়ের এই সংকটাপন্ন মুহূর্তে পর্যটক এবং স্থানীয় বাসিন্দা—উভয় পক্ষের মনেই এখন একটাই প্রশ্ন, কবে নিরসন হবে এই সংকট, আর কবে নাগাদ আবার মুখরিত হয়ে উঠবে মেঘের রাজ্যের এই চেনা পথ?
সংবাদটির এই ফরম্যাট ও উপস্থাপন কেমন লাগছে জানাবেন। প্রয়োজনে বা আপনার পোর্টালের নিয়ম অনুযায়ী আরও পরিবর্তন বা পরিমার্জন করা যাবে।
রপান্তর বাংলা অনিয়মের বিরুদ্ধে, সত্যের পক্ষে
