নিজস্ব প্রতিবেদক, রাঙামাটি—সাজেকে সড়ক অবরোধের নামে সাধারণ জনগণকে মানবঢাল বানিয়ে পর্যটক ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর ইউপিডিএফের সশস্ত্র গুলিবর্ষণের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ ও পার্বত্য নাগরিক অধিকার পরিষদ। একই সাথে পাহাড়ে শান্তি ফেরাতে প্রত্যাহারকৃত সকল সেনা ক্যাম্প পুনঃস্থাপনের জোর দাবি জানিয়েছেন নেতৃবৃন্দ।
আজ বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর ২০২৬) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে এই দাবি জানানো হয়।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, “রণে-বনে-জঙ্গলে যেখানেই বিপদ, সেখানেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। গতকাল সাজেকের গঙ্গারাম বাজারে যখন ৩০০০ পর্যটক আটকা পড়েছিল, তখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ তাদের উদ্ধার করেছে। যারা উদ্ধার করতে আসা সেনাবাহিনীর ওপরই ৩০-৪০ রাউন্ড গুলি চালায়, তারা দেশ ও পাহাড়ের শত্রু।”
এ প্রসঙ্গে জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের চেয়ারম্যান, সাংবাদিক নেতা আজাদ হিন্দ রানা বলেন,”পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনী শান্তির প্রতীক। তারা শুধু নিরাপত্তা দেয় না, বাঙ্গালহালিয়ার মতো প্রত্যন্ত এলাকায় নারীদের কুটির শিল্প প্রশিক্ষণ দিয়ে স্বাবলম্বী করছে, ঘর বানিয়ে দিচ্ছে। সন্ত্রাসীদের রুখতে হলে পাহাড়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি বাড়াতে হবে। যেখানে আইন বেশি, সেখানে সন্ত্রাস কম।”
পার্বত্য নাগরিক অধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে বলা হয়, “পাহাড়ের সাধারণ বাঙালি ও পাহাড়ি নিরীহ মানুষ আজ জিম্মি। চাঁদাবাজি, অপহরণ ও অবরোধের নামে জনজীবন অতিষ্ঠ। শান্তি চুক্তির পর যেসব এলাকা থেকে সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহার করা হয়েছে, সেখানেই সন্ত্রাসীরা ঘাঁটি গেড়েছে। তাই অবিলম্বে প্রত্যাহারকৃত সকল সেনা ক্যাম্প পুনঃস্থাপন করতে হবে। প্রতি ১০০-২০০ গজ পরপর নিরাপত্তা চৌকি বসালে সন্ত্রাসীরা পালানোর পথ পাবে না। এটাই পাহাড়ের ১০ লাখ মানুষের প্রাণের দাবি।”
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, পাহাড়ে পর্যটন শিল্প ও সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকা রক্ষায় সেনাবাহিনীর বিকল্প নেই। সাজেকের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে হামলাকারী সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিও জানান তারা।
রপান্তর বাংলা অনিয়মের বিরুদ্ধে, সত্যের পক্ষে
