ফলোআপ রিপোর্ট– রেঞ্জ ডিআইজি এর কাছে অভিযোগ ময়মনসিংহ দক্ষিণ গফরগাঁওয়ে জামায়েত নেতাকর্মীদের উপর হামলায় এখনও মামলা নেয়নি পুলিশ,

ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহ জেলার দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলায় গত ২১ সেপ্টেম্বর বেলা ১১ ঘটিকায় জামায়েতের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গণসংযোগকালে পূর্ব পরিকল্পীত ভাবে বি.এন.পি’র নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়ে জামায়েতের ৭ নেতাকর্মীকে গুরুত্ব আহত করে। এ ব্যাপারে ইউনিয়ন জামায়েতের আমির মোঃ শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে ২২ সেপ্টেম্বর পাগলা থানায় অভিযোগ দায়ের করে। কিন্তু পুলিশ মামলা রেকর্ড করতে গরিমশি করে। পুলিশের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্দ। এব্যাপারে প্রতিকার চেয়ে গত ২৮ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি বরাবরে আবেদন করা হয়েছে। এদিকে রেঞ্জ বরাবর অভিযোগ দেওয়ার পর প্রধান আসামী ইয়াছিন খান বাদী ও সাক্ষীদের মোবাইল ফোনে ও বিভিন্ন লোকমারফত হুমকি দিচ্ছে। তাদেরকে হত্যা এবং তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি করবে। আসামী ইয়াছিন খান ও তার সাঙ্গপাঙ্গদের হুমকি ও ভয়ে অনেক সাক্ষী এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। সূত্র মতে- গফরগাঁও দক্ষিণ উপজেলার নিগুয়ারী ইউনিয়নের জামায়াতের সভাপতি মোঃ শফিকুল ইসলাম কেন্দ্রীয় কর্মসূচির আলোকে গত ২১ সেপ্টেম্বর তার ইউনিয়নের অললী বাশতলী বাজার এলাকায় তার নেতাকর্মী নিয়ে বেলা ১১ ঘটিকায় গণসংযোগ করতেছিলেন। এমন সময় পূর্ব পরিকল্পীত ভাবে চাঞ্চল্যকর রাকিব হত্যা মামলার প্রধান আসামী কুখ্যাত ইয়াছিন খান এর হুকুমে দেশীয় অস্ত্র সন্ত্রে সজ্জিত ১৫/২০ জনের একটি সস্ত্রস্র দল অর্তির্কিত তাদের উপর হামলা করে। হামলাকারীদের হামলায় ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মোঃ শফিকুল ইসলাম, মাওঃ সাইফুল ইসলাম, আশরাফুল ইসলাম, মাওঃ আঃ আজিজসহ ৭ জন গুরুতর আহত হয়। স্থানীয় জনগণ আহতদের উদ্ধার করে পার্শবর্তী শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। তাদের মধ্যে ২ জনের অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করে। এব্যাপারে ইউনিয়ন জামায়াতের আমির ২২ সেপ্টেম্বর পাগলা থানায় অভিযোগ দায়ের করে। কিন্তু পুলিশ অদ্যবধি মামলা রেকর্ড করেনি বা তদন্তেও যায়নি। এদিকে আসামীদের হুমকিতে বাদীসহ সাক্ষীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। মামলা রেকর্ড না হওয়ায় বাদী ও তার লোকজন হতাশায় ভুগছেন। অবশেষে ২৮ সেপ্টেম্বর সোমবার বাদী শফিকুল ইসলাম ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি বরাবরে প্রতিকার চেয়ে আবেদন করেন। উক্ত খবর আসামী ও তার লোকজনের কাছে পৌছার পর ইয়াছিন খান বাদী শফিকুল ইসলামকে মোবাইল ফোনে ও লোকমারফত হুমকি দিচ্ছে তাকে সহ তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি করবে।
ইতিমধ্যেই তার হুমকিতে উক্ত ঘটনার সাক্ষীরা প্রাণ ভয়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। এব্যাপারে পুলিশের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ভুক্তভোগী শফিকুল ইসলাম।